জাকিয়া জেসমিন
.....................
সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা এই দেশটি ছোট হতে পারে, কিন্তু
এর ভেতরে যে প্রাণির আনাগোনা অর্থাৎ, আমরা মানুষ, আশরাফুল মাখলুকাত হতে শুরু করে
পশু-পাখি সবই মনে হয় ভাগ্যবান। অথবা, বলা চলে, এই দেশের মানুষ হতে শুরু করে
পশু-পাখি, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য, নানা রকম খাবারের বাহারে দেশটি পুরোপুরি সমৃদ্ধ।
খাবারের কথা বলতে গেলে এক সাথে হরেক রকম খাবারের কথা এসে
যায়। এ দেশের নানী-দাদীরা তাদের নাতি-নাতনীর জন্য নবান্নের শেষে নতুন ধানের চাল
দিয়ে পিঠা-পুলি বানানোর আয়োজন করতেন। এসব এখন রূপকথা! বর্তমানে, খাবারের আয়োজনে
নাতি-নাতনীরাও পিছিয়ে নেই।
খাদ্য মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলোর মধ্যে
অন্যতম আর বাঙালিরাও ভোজনাবিলাসী হিসেবে চুড়ান্ত খ্যাতিমান। সুতরাং খাবার ও
রন্ধনশৈলী তাই আমাদের জীবন ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমাদের খাদ্য তালিকায় যেমন
রয়েছে অগনিত সুস্বাদু খাবারের উপস্থিতি তেমনি রয়েছে ঐতিহ্যবাহী খাবারের
বৈচিত্র্যময় সম্ভার! দেশ জুড়ে অঞ্চল ভেদেও রয়েছে আঞ্চলিক খাবারের রকমফের। সারা
দেশের বিভিন্ন এলাকার, বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর বৈচিত্রময় প্রচলিত খাবার
ও রন্ধনশৈলী তুলে ধরছে ‘ভিন্ন স্বাদের সন্ধানে’ অনুষ্ঠানের প্রতিটা পর্বে! নির্দিষ্ট এলাকার রন্ধনশৈলী তুলে ধরার পাশাপাশি
উক্ত এলাকার সংক্ষিপ্ত পরিচিতিমূলক উপস্থাপনাও থাকবে।
সুস্বাদু খাবারের ‘রন্ধন প্রণালী’র প্রতি বাংলাদেশের মানুষের রয়েছে সহজাত
আগ্রহ। এ-জন্য, ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সম্প্রচারিত রান্নার
অনুষ্ঠানগুলো বেশ জনপ্রিয়! বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার ও জনগোষ্ঠীর সৃজনশীল, ঐতিহ্যবাহী ও বৈচিত্র্যময় রান্নার চিত্তাকর্ষক অনুষ্ঠান ‘ভিন্ন স্বাদের সন্ধানে’। প্রায় সব শ্রেণীর দর্শক বিশেষ
আগ্রহ নিয়ে রান্নাবান্নার অনুষ্ঠান দেখে থাকেন। ‘ভিন্ন স্বাদের
সন্ধানে’ অনুষ্ঠান সাজানো হয়েছে বিভিন্ন এলাকার
সৃজনশীল ও ঐতিহ্যবাহী খাবার এবং তাদের বৈচিত্রময় পরিবেশনার মাধ্যমে।
অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেছেন মালিহা মেহনাজ
শায়রী এবং পরিচালনা করেছেন এ মাসুদ চৌধুরী পিটু। প্রচারিত হচ্ছে চ্যানেল নাইন'য়ে প্রতি শুক্রবার সন্ধ্যা ৭:৪৫ মিনিট।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন